সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

জীবনী

মো. আখতারুজ্জামান মিয়া
মো. আখতারুজ্জামান মিয়া হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
জন্ম১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর
শিক্ষাস্নাতকোত্তর (অ্যাকাউন্টিং), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
পেশারাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী
নির্বাচনী এলাকাদিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর–খানসামা)
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
বর্তমান দায়িত্বহুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
জীবনপঞ্জি
১৯৫৭

জন্ম

দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার দক্ষিণ পলাশপাড়া গ্রামের মিয়াপাড়ায় ১২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন (১৯৭৮–৭৯ শিক্ষাবর্ষ)।

২০০১

প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ আসনে ১,০৮,৩৬০ ভোট (৫২.৩%) পেয়ে জয়ী হন।

২০০১–২০০৬

অষ্টম জাতীয় সংসদের সদস্য

পূর্ণ মেয়াদে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮

নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

২০১৮

একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট-সমর্থিত বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

২০২৬

পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১,৬৫,৫৭৭ ভোট (৫৪.৪১%) পেয়ে বিজয়ী; ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন।

২০২৬

জাতীয় সংসদের হুইপ নিযুক্ত

বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী ২ মার্চ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক হুইপ হিসেবে নিযুক্ত হন।

অধ্যায় ১

সম্পূর্ণ জীবনী

মো. আখতারুজ্জামান মিয়া বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী। তিনি দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর–খানসামা) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি ১৯৫৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার দক্ষিণ পলাশপাড়া গ্রামের মিয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন এবং ধীরে ধীরে দিনাজপুরের রাজনীতিতে একজন জনপ্রিয় ও আস্থাভাজন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো দিনাজপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় সংসদের হুইপের গুরুদায়িত্ব লাভ করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসাকে পাথেয় করে তিনি পথ চলেছেন। চিরিরবন্দর ও খানসামার প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অধ্যায় ২

শিক্ষাজীবন

মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার শিক্ষাজীবনের সূচনা দিনাজপুর জেলায়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (হিসাববিজ্ঞান) বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতক (বি.কম) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন (১৯৭৮–৭৯ শিক্ষাবর্ষ)। হিসাববিজ্ঞানের এই শিক্ষা পরবর্তী জীবনে তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্য ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তি রচনা করে।

অধ্যায় ৩

রাজনৈতিক জীবন

মো. আখতারুজ্জামান মিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা দিনাজপুর জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

  • ২০০১: অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসন থেকে ১,০৮,৩৬০ ভোট (৫২.৩%) পেয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২৮ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
  • ২০০৮: নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
  • ২০১৮: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট-সমর্থিত বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
  • ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১,৬৫,৫৭৭ ভোট (৫৪.৪১%) পেয়ে বিপুল ব্যবধানে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন।
  • মার্চ ২০২৬: মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে নিযুক্ত হন।

সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও সুপরিচিত।

অধ্যায় ৪

দায়িত্ব

বর্তমানে মো. আখতারুজ্জামান মিয়া যেসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন—

  • হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ — বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর ৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে নিযুক্ত।
  • সংসদ সদস্য, দিনাজপুর-৪ — চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলা নিয়ে গঠিত নির্বাচনী এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)।

হুইপ হিসেবে তিনি সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা, অধিবেশনে সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার।

অধ্যায় ৫

অর্জন

  • দিনাজপুর-৪ আসন থেকে দুইবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য (২০০১ ও ২০২৬)।
  • ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১,৬৫,৫৭৭ ভোট (৫৪.৪১%) পেয়ে প্রায় ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ।
  • বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে নিয়োগ লাভ (২ মার্চ ২০২৬)।
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমসে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন।
  • একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং এলাকার শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা।